দেবর ও ভাবীর প্রেমের গল্প

শিরোনাম: **নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প



গ্রামের নাম তাজপুর।   এখানকার মানুষ খুবই সহজ সরল এবং অতিথিপরায়ণ।   কিন্তু প্রতিটি গ্রামের মতোই কিছু গল্প আছে, যা প্রতিটি গ্রামবাসীর পুনরাবৃত্তি হয়।

  নীরা ছিল গ্রামের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে।   গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাকেশের সাথে তার বিয়ে হয়েছিল।   রাকেশের ছোট ভাই বিকাশ তখন কলেজে পড়ে।

  নীরার সঙ্গে বিকাশের সম্পর্ক ছিল বন্ধুর মতো।   নীরা তাকে তার ছোট ভাইয়ের মতো ভালবাসত।   বিকাশও ভাবীকে আদর করত।   কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই সব বদলে গেল।

  একদিন নীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে, এবং রাকেশ ব্যবসার কাজে বাইরে যায়।   বিকাশ ভাবীর যত্ন নিতে শুরু করে।   ভাবীর জন্য খাবার তৈরি থেকে ওষুধ খাওয়ানো সবই করতেন বিকাশ।

  যতই দিন যেতে থাকে তাদের মধ্যে এক অদ্ভুত অনুভূতি তৈরি হয়।   নীরার চোখে বিকাশের প্রতি অন্যরকম ভালোবাসা ফুটে ওঠে এবং বিকাশ নীরার প্রতি গভীর ক্রাশ তৈরি করে।

  তাদের মধ্যে যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল তা সমাজের রীতি অনুযায়ী নিষিদ্ধ ছিল।   কিন্তু হৃদয়ের নিয়ম মানে সমাজের নিয়ম নয়।   তারা বুঝতে পেরেছিল যে একে অপরের প্রতি তাদের অনুভূতি শুধুমাত্র একটি ভাইবোনের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

  একদিন বিকাশ সাহস করে নীরাকে তার মনের কথা জানাল।   নীরাও বিকাশকে বলে যে সে তাকে অনেক ভালবাসে।   কিন্তু সমাজ কখনই তাদের সম্পর্ক মেনে নেবে না।

  তারা এই নিষিদ্ধ প্রেমকে সমাজের চোখ থেকে আড়াল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তবে এটি তাদের হৃদয়ে রাখবে।   বিকাশ নীরাকে প্রতিশ্রুতি দেয় যে সে সর্বদা তার প্রতি ভালবাসায় পূর্ণ থাকবে, তবে সমাজের সম্মান রক্ষা করবে।

  এভাবেই চলতে থাকে তাদের প্রেমের গল্প, যেখানে তারা একে অপরের প্রতি ভালোবাসা লুকিয়ে রাখে, কিন্তু অন্তরে চিরন্তন রাখে।

  শেষ কথা:

  এই গল্পটি আমাদের শেখায় যে ভালবাসা কখনই বন্ধন নয়।   হৃদয়ের অনুভূতি সমাজের নিয়মের বাইরেও সত্য হতে পারে, তবে এটি সতর্কতা এবং সম্মানের সাথে অনুসরণ করা উচিত।


إرسال تعليق

0 تعليقات
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.